Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

Text Widget

Text Widget

Wed Development

Outsourcing

Latest Release

Advance Internet

About Pro Video

SEO

Popular Posts

Unordered List

Pages

Download

Recent Posts

Definition List

Tuesday, December 12, 2017

সহজেই কনটেন্ট লিখুন , সঙ্গে সার্চ ইঞ্জিনের র‌্যাংকিং এ নিয়ে আসুন

আপনি সুন্দর ও মানসম্মত  SEO Content কিভাবে লিখতে পারেন সঙ্গে সার্চ ইঞ্জিনকে  র‌্যাংকিং এ আনবেন সেই সম্বন্ধ্যে পূর্ণাজ্ঞ  ধারনা দিতে পারব আশা করছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসরণ ছাড়া সার্চ ইঞ্জিনে আপনার কনটেন্ট গুগলের ভাল অবস্থানে আনা আপনার জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হবে । আপনি যদি কনটেন্ট সাজানোর সময় কিছু নিয়ম অনুসরণ করেন, তাহলে আপনার কনটেন্টটি হতে পারে গুগলের সর্বশ্রেষ্ঠ কনটেন্ট । সবার মনে এখন একটিই প্রশ্ন জাগতে পারে যে  আদৌ কি এমন কোন নিয়ম আছে? আসলেই কি সম্ভব? এমন প্রশ্ন যদি কেউ করে থাকে তাহলে আমার উত্তর একটাই হবে তা হল “এমনটা আসলেই সম্ভব” । এটি একমাত্র কনটেন্ট অপটিমাইজেশন দ্বারাই সম্ভব যা শুধু মাত্র  On-Page Optimization এ ই করা হয়ে থাকে । আপনার কনটেন্টটি সুন্দর করে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে উপস্থাপন করতে পারলেই আপনি পেতে পারেন আপনার টার্গেট ভিজিটর এবং সর্বোচ্চ  ভাল পেজ রেঙ্কিং ।
SEO-Tips-for-Online-writing

পোস্টটি  আপনার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ  :


  • •    সঠিক পেজ টাইটেল নির্বাচন কি ভাবে করবেন তা জানতে পারবেন –
  • •    কনটেন্ট এর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে পারবেন 
  • •    ওয়েব সাইট বা কনটেন্ট Ranking এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস জানতে পারেন –
  • •    কিভাবে কনটেন্ট সাজালে আপনি পেতে পারেন বিপুল টার্গেট ভিজিটর-
  • •    বিষয়বস্তু দৈর্ঘ্য কেমন হবে তা জানতে পারবেন -
  • •    আপনার কনটেন্ট পাবলিশ কারার আগে আপনার কি কি করনীয় তা জানতে পারবেন-

  সঠিক পেজ টাইটেল নির্বাচন যেভাবে করবেন :

এটা খুবই গুরত্বপূর্ন একটা ওয়েব পেজের জন্য যা ইউজার এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়কে বলে দেয় যে সেই পেজের মধ্যে কি আছে অর্থ্যাৎ একটা টাইটেল একটা পেজের সরাংশ অথবা এর বিষয়বস্তু । আপনার পেজের টাইটেল হতে হবে এমন যাতে এটা আপনার এবং অন্যের সাইটের অথবা অন্য কোন পেজের টাইটেলের সাথে মিলে না যায় অর্থ্যাৎ সম্পূর্ণ ইউনিক এবং অবশ্যই নির্ভূল ।
সার্চ ইঞ্জিনে এর রেজাল্ট যখন আমরা ব্রাউজারে দেখি তখন পেজের টাইটেল থাকবে সবার আগে । যেমন আমরা যদি Genesisblogs লিখে গুগলে সার্চ দেই তাহলে আমরা নিম্নের চিত্র অনুযায়ী দেখতে পারব ।
Untitled111111
কোন ব্যবহারকারী অথবা ইউজার যখন যে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ  ইঞ্জিনে সার্চ করবে এবং সেই নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটি  যদি সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্টে বোল্ড আঁকারে দেখায় এবং  তা যদি আবার পেইজের সম্পূর্ণ টাইটেলটি হয়  তাহলে আপনি সহজেই ভেবে নিতে পারেন আপনার সাইটের ট্রাফিক বহুগুন বেড়ে যাবে । পেইজের টাইটেল ট্যাগ সবসময় এমনভাবে দিতে হবে যেটার সাথে  আপনার  পেজের কনটেন্টের অনেকটাই  মিল রয়েছে। বেশী লম্বা টাইটেল ট্যাগ দেওয়া মোটেও উচিৎ নয় কারন এতে অনেক অপ্রয়োজনীয় শব্দ টাইটেলে চলে আসে । যার ফলে আপনার সার্চকৃত টাইটেল  সার্চ ইঞ্জিনে সম্পূর্ন দেখায় না বরং তার কিছু অংশ সার্চ রেজাল্টে দেখায় সেহেতু বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল পেইজ টাইটেল ছোট প্রাসঙ্গিক এবং তথ্যবহুল করা ।

কনটেন্ট এর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে কিওয়ার্ড নির্বাচন:

SEO আসলে এমন একটি বিষয় যেখানে আপনাকে সবসময় আপডেটেড থাকতে যেমন আপনার প্রিয় মানুষটির সব খোঁজ কবর রাখেন । কথায় গেল কেন গেল এখন কি করছে ? তেমনি আপনিও এসইও এর বিষয় সম্পর্কে খোঁজ কবর নিবেন । সার্চ ইঞ্জিন এর নতুন নতুন আপডেট সর্ম্পকে জানতে চেষ্টা করুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে থাকুন।তাইলেই তো এসইও আপনার প্রেমে পরবে। শুধু একারণেই আপনাকে খুবই সতর্ক ভাবে কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে । কোনভাবেই ভুল তথ্য এর পিছনে সময় এবং শ্রম নষ্ট করা যাবে না । আপনি সেরা Keyword Research এর জন্য কিছু টুলস ব্যবহার করতে পারেন । । আমার মতে সেরা Keyword Research টুলস হচ্ছে Google Ad words: Keyword Planner, webmaster Tool । এখানে আপনি সবচেয়ে ভাল Keyword এর পরামর্শ পেতে পারেন ।জানতে পারেন ট্রাফিক বিবরণ এবং আর অনেক কিছু । আপনি Google এ Search দিয়ে আরও অনেক Keyword Research টুলস পাবেন ।
key word

 এখন আসি কিভাবে সেরা Keyword নির্বাচন করবেন ?

Step 1 : প্রথমে আপনার বিষয়ভিতিক Keyword নির্বাচন করুন ।
Step 2 : আপনার পছন্দের Keyword টুলস এ আপনার সেরা Keyword Research করুন ।
Step 3 : আপনি আপনার কাংখিত Keyword গুল পাবেন ইনশা-আল্লাহ ।
Step 4 : Research করা Keyword গুল থেকে আপনার কাংখিত Keyword গুল নির্বাচন করুন ।
 আমি মনেকরছি আপনি আপনার কনটেন্ট এর জন্য সেরা Keyword নির্বাচন করতে পারবেন । এই বেসিক নলেজটি আপনার মধ্যে আছে ।

ওয়েব সাইট বা কনটেন্ট Ranking এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস :

কনটেন্ট Ranking এর প্রধান শর্তই হল ভাল কনটেন্ট খুঁজে পাওয়া । আমাদের ওয়েবসাইটে যে content গুলো থাকবে তার সবই যে ভাল হবে এমন কোন কথা নেই। কিছু ভাল, কিছু মাঝারি ,কিছু নিম্ম মানের কন্টেন্ট থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের অবশ্য সবসময় চেষ্টা করতে হবে ভাল কন্টেন্ট তৈরি করা । তার জন্য আমরা ভাল আর্টিকেল রাইটার হায়ার করতেও পারি অথবা নিজেরাও লিখতে পারি। কিন্তু মূল কথা আমদের ভাল কনটেন্ট লাগবেই ।

আসলে কোনগুলাকে আমরা ভাল কন্টেন্ট বলব?

  • •    ওয়েব সাইটের সাথে পেজ গুলোর সাবজেক্ট এর রিলেশন থাকতে হবে।
  • •    টার্গেট ভিজিটরদের জন্য প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকবে।
  • •    টার্গেট ভিজিটরদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান থাকবে।
  • •    বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর থাকবে।
  • •    অবশ্যই ওয়েবসাইটটি তথ্যবহুল হতে হবে।
  • •    যেসব কন্টেন্ট শুধুমাত্র Search engine কে টার্গেট করে লেখা হয়।
top-google-ranking-tips-2015
এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো তে সাধারনত প্রচুর পরিমানে keyword থাকে এবং এগুলো শুধুমাত্র search engine এ ranking বৃদ্ধি করার জন্য তৈরি করা হয়। Visitor এর জন্য content তৈরি করুন তাহলে আপনার চাহিদা ও পূরন হবে আবার  SEO তে ভাল রেঙ্কিং ও পাবেন। তাই আমরা চেষ্টা করব এগুলোর সদ্য ব্যবহার করতে ।আবার আসুন একটু নিজেকে পরিবর্তন করি । একটু স্মার্ট হই ।
থাক! আপনারা অনেক স্মার্ট জানি এবার অন্তত আপনার ওয়েব সাইট কেও স্মার্ট করুন । আসুন দেখি কি কি পরিবর্তন লাগবে ।
  • •    আপনার ওয়েবসাইটের পুরানো খারাপ কন্টেন্টগুলাকে Edit করে ফেলেন । কি পারবেন না। জানি আপনার দ্বারাই হবে ।
  • •    Fake Page তৈরি করবেন না অর্থাৎ এমন পেজ যা আপনার ওয়েবসাইটের অংশ না যা হয়ত ভিজিটরকে অন্য কোন পেজে redirect করবে।
  • •    সবসময় যথাসম্ভব পরিষ্কার, সহজ এবং বর্ণনামূলকভাবে বা ধাপে ধাপে আপনার আর্টিকেলটি লিখুন, যাতে করে এটা বুঝতে এবং আপনার target audience দের কোন প্রকার সমস্যা না হয় ।
কাজেই আপনার ওয়েবসাইটের এর জন্য এমন কন্টেন্ট লিখুন যা আপনার টার্গেট অডিয়্যন্স ও সার্চ ইঞ্জিন দুটাকেই প্রাধান্য দেবে। অর্থাৎ SEO ও কন্টেন্ট এর মধ্যে একটি সামঞ্জস্য বিধান করা। সবচেয়ে ভাল হয়, প্রথমে আপনি user এর জন্য লিখুন পরবর্তীতে লেখাটাকে edit করুন relevant keyword গুলোকে সঠিক জায়গায় placement করুন ।
একটা ওয়েবসাইটে সব একই ধরনের পেজ থাকেনা এটাতে বিভিন্ন ধরনের পেজ এবং বিভিন্ন ধরনের content থাকে। ওয়েবসাইটকে Brochures এর সাথে তুলনা করলে চলবে না। মানুষ আপনার সর্ম্পকে সবকিছু জানে বা তারা যে শুধুমাত্র search engine এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে আসছে এমন ভাবার কোন কারণ নেই। ভিজিটররা অন্য অনেক সোর্স থেকেও আসতে পারে। তাই আপনাকে ধরে নিতে হবে যে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট বা আপনার সর্ম্পকে কিছুই জানেনা।
ইনফরমেশন গুলো এমনভাবে রাখবেন যেন যে কেউ তার প্রয়োজনমত সঠিক তথ্য খুজেঁ নিতে পারে । একারনের প্রতিটি তথ্য সঠিক স্থানে রাখতে হবে। আর এ কারণেই পেজের বিভিন্নস্থানে keyword use করতে হবে, যাতে করে ভিজিটররা যা খুজছে তা সহজেই খুজে পায়।  আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরি সর্ম্পকিত তথ্য ও যোগ করতে পারেন SEO এটাকে ভাল গুরুত্ব দেয়।

কিভাবে কনটেন্ট সাজালে আপনি পেতে পারেন বিপুল টার্গেট ভিজিটর :

সব কিছুর ই একটি সৌন্দর্য থাকে । আপনার  কনটেন্ট গুলোকে এমন ভাবে সাজান যেন দেখতেই মায়া লাগে । ঠিক যেমন করে আপনার প্রেমিকা/প্রেমিককে সাজালে ভাল লাগত । আসুন আমরা আমাদের কনটেন্ট কে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলি ।
  • •    home page
  • •    main category pagestargeted-vistors
  • •    sub category pages
  • •    product/serice pages
  • •    Information/articles/news/posts
  • •    About us page
  • •    Help pages
  • •    search engine home pages কে সবচেয়ে বেশি weight দেয়। তাই হোম পেজের জন্য এই কাজগুলো করতে পারেন।
  • •    broad ও competitive keyword phrases
  • •    use keyword rich tag line
  • •    মানুষদের অন্যান্য গুরুত্বপূণ ক্যাটাগরি পেজে directory করুন ।
উপরের অংশ টি ভাল করে দেখুন  আসা করি  home page, main category pages, sub category pages, About us page এবং  Help pages  নিয়ে আপনাদের কোন সমস্যা নেই । বাকি থাকে  product/serice pages ওInformation/articles/news/posts
product/serice pages পেজেস গুলাতে সাধারণত নির্দিষ্ট কোন product বা service সর্ম্পকে তথ্য থাকে এবং এখানে আপনারা related keyword গুলো ব্যবহার করতে পারেন।এই পেজগুলার সাধারনত একের অধিক কপি থাকতে পারে কারন অনেক সময় বিভিন্ন product বা service এর একই ধরনের ফিচার থাকতে পারে।
Information/articles/news/posts পেজগুলাতে সাধারণত অন্যান্য  পেজ থেকে সাধারণত কন্টেন্ট বেশি থাকে । এখানে আপনি আপনার expertise দেখাতে পারেন ।

বিষয়বস্তু দৈর্ঘ্য কেমন হবে তা জানতে চান :

আগেই বলেছি সবকিছুই হতে হবে ইউনিক, সবার থেকে আলাদা, দেখেই যেন পরান জুড়ায় যায় । ঠিক যেমন আপনার গার্লফ্রেন্ড/ বয়ফ্রেন্ডকে দেখেই পরান ঠাণ্ডা হইয়া যায় । থামেন পড়ে ঠাণ্ডা হইয়েন আগে একটা কনটেন্ট লিখেন । কি ভাবেন ১০০-২০০ ওয়ার্ড এর লিখলেন হইয়া গেল ।  না ভাই হবে না । বিস্তারিত লিখেন দেখতে কেমন, চুলের কালার, তার কি কি ভাল লাগে , কেন তাকেই শুধু ভাল লাগে । লিখে ফেলেন ৫০০ ওয়ার্ড এর বেশি । আপনার Content Length অবশ্যই কমপক্ষে 500 Word হতে হবে । এখন এমন এক সময় যে ছোট বিষয় বস্তুর জন্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে টার্গেট ট্রাফিক পাওায়া খুব কষ্টকর । তাই আপনার কনটেন্ট এর বিষয় খুব ব্যাখ্যা মুলক হতে হবে । কমপক্ষে 500 Word এর ভাল কনটেন্ট হওয়া দরকার ।
content-writing

আপনার কনটেন্ট পাবলিশ করার আগে আপনার কি কি করনীয় তা জানতে পারবেন :

এইটা কোন কথা হইল ফেসবুক এ কত পোস্ট করলাম । এমন যারা ভাবছেন তারা তারা শুনেন এইটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । এটা ছাড়া আপনার পরিশ্রমই বিথা যাবে ।
আপনার কনটেন্ট পাবলিশ কারার আগে আপনাকে আরও কিছু কাজ করতে হবে । আপনার কনটেন্ট কি পাঠ্যযোগ্য কিনা চেক করুন । আপনি একজন লেখক নয় পাঠক হিসেবে আপনার কনটেন্ট এর বিষয়গুল ভাল করে লক্ষ করুন । পাঠক এই কনটেন্ট পড়ে কুতটুকু উপক্রিত হবে সেদিকে নজর দিন । যদি আপনি English Content লিখেন তাহলে আপনাকে Spelling ও Grammar ঠিক আছে কিনা খুব ভাল করে চেক করুন । সবকিছু ঠিক থাকলে পাবলিশ করুন ।
content-writing-tools
সমস্যা থাকলে ফেসবুক এ আমাকে জানাবেন ……

লেখালেখির শখকে কাজে লাগিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন আর্টিক্যাল রাইটিং-এ

“ক্যারিয়ার” মানেই কি আমরা মনে করি, মেডিকেল সায়েন্স অথবা, ইঞ্জিনিয়ারিং-এই ক্যারিয়ার গড়তে হবে? ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হতে ব্যর্থ হলে জীবনে আর তেমন কিছুই করা সম্ভব না- এই কথাটি ইন্টারনেটের যুগে আসলেই বেমানান। ইন্টারনেটের এই যুগে আমরা গোটা পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় যখন আনতে পেরেছি, তখন আমাদের যেকোন প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আমরা সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়তে পারি। তবে কেন সেই ব্যক্তি আর্টিক্যাল রাইটিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারবে না যার কিনা লেখালেখিতে অসাধারন প্রতিভা আছে? এটা কি আসলেও কাম্য? আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি আর্টিক্যাল রাইটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হতে পারে?
Article-Jinia

ক্যারিয়ার হিসেবে আর্টিক্যাল রাইটিং

বর্তমান যুগে বেশিরভাগ কাজই এখন অনলাইনভিত্তিক। আর এই কথাটি বললে ভুল হবে না যে অনলাইন মার্কেটিং জগৎ এখন আর্টিক্যাল রাইটিং এর উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। সুতরাং এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে একজন ভালো মানের  আর্টিক্যাল রাইটার এর গুরুত্ত অনেক বেশি। আর গুরুত্ত আছে বলেই তার আয়ও বেশি হবে- এটাই কি স্বাভাবিক নয়?
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চাইলেই কি ভালো মানের রাইটার হওয়া সম্ভব? কেন নয়? অবশ্যই সম্ভব। আর এটা বলছি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই। আর্টিক্যাল রাইটিং সম্পর্কে প্রথম শুনেছিলাম আমার মায়ের কাছ থেকে। তারপর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, ম্যাগাজিন এবং ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এর বিস্তারিত জানতে পারি। প্রথমে ভাবতাম অনেক কঠিন কাজ। দ্বিধায় ভুগছিলাম সফল হতে পারব কিনা। সাহস যুগিয়েছিল তখন মা। অনেক চেষ্টার পর ওডেস্কে আর্টিক্যাল রাইটিং এর একটি কাজ পেয়ে যাই এবং সফলভাবে কাজটি সম্পন্ন করায় ক্লায়েন্টও সন্তুষ্ট হয়।

Article Feedback-Jinia Shawdagor
আর্টিক্যাল রাইটিং এর প্রথম ফিডব্যাক

আর আজ আমি আপনাদের সাহস দিচ্ছি, চেষ্টা করলে আপনারাও অবশ্যই সফল হতে পারবেন। শুধু প্রয়োজন বেশ কিছু বিষয়ে দক্ষতা।

প্রফেশনাল রাইটার হতে হলে যেসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে

প্রথমত, ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
তৃতীয়ত, রিসার্চে দক্ষ হতে হবে এবং সেই সাথে প্রয়োজন ধৈর্য।
চতুর্থত, প্রচুর পরিমানে লেখার চর্চা করতে হবে।
পঞ্চমত, সময় এবং নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে।
এখন আপনি যদি আর্টিক্যাল রাইটিং এ যথেষ্টই উৎসাহী হন, তবে দেখে নেয়া যাক একটি ভালো মানের আর্টিক্যাল লিখতে হলে যেসব অংশে বিশেষ গুরুত্ত দিতে হবে।

আর্টিকেলের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশসমূহ

parts of article-Jinia S.
আর্টিকেলের অংশসমূহ
  • টাইটেল
প্রথমেই একটি আর্টিকেলের যে অংশটি আমাদের নজরে আসে সেটি হলো আর্টিক্যালটির টাইটেল। টাইটেল এর উপর ভিত্তি করেই পাঠক সেটি পড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। সুতরাং, ভালো মানের আর্টিক্যাল লিখতে হলে অবশ্যই একটি নজরকারা টাইটেল নির্বাচন করতে হবে এবং আর্টিকেলের বিষয়টি যেন তাতে সম্পূর্ণই প্রতিফলিত হয়।
  • সূচনা
আর্টিক্যালটির সূচনা করুন এমনভাবে যেন তার বিষয় সম্পর্কে পাঠকরা পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারে এবং পাঠক যেন তা পড়ার আগ্রহ ধরে রাখতে পারে।
  • মূল বিষয়
আর্টিকেলের মূল বিষয়টি কয়েকটি অনুচ্ছেদের মাধ্যমে বিস্তারিত বর্ণনা করুন। তবে অপ্রাসঙ্গিক অথবা অপ্রয়োজনীয় কথা দিয়ে আর্টিক্যালটি অযথাই বড় করবেন না। এতে পাঠক তার পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। পাঠকের আরও বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে অনুচ্ছেদগুলোরও উপযুক্ত নামকরণ করে ফেলুন।
  • ছবি
আর্টিকেলে ছবি যুক্ত করার মাধ্যমে সেটিকে আরও বেশি জীবন্ত করে তুলুন। যেকোনো বিষয় বোঝার ক্ষেত্রে এটি অনেকাংশে সাহায্য করে এবং এতে পাঠক সম্প্রদায় লেখাটি পড়তে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে।
  • সংযোগ স্থাপন
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- আর্টিকেলের এক অংশের সাথে আরেক অংশের মধ্যে কিছু সংযোগমূলক কথা লিখুন যাতে পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখা যায়।
  • সর্বশেষ অংশ
আর্টিকেলের সর্বশেষ অংশে একটি চূড়ান্ত মতামত, মন্তব্য, পরামর্শ অথবা সম্পূর্ণ বিষয়টিকে সংক্ষিপ্তাকারে উপস্থাপন করুন।
এসব বিষয়ে সতর্ক থাকলে আপনি আর্টিক্যাল রাইটিং এ সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারবেন। তবে লেখা শুরু করার আগে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

মনে রাখুন-

  • আপনার লেখাটি কোথায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে- পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ব্লগ অথবা কর্পোরেট ওয়েবসাইট?
  • কাদের উদ্দেশ্যে লিখছেন- শিক্ষার্থী, কিশোর-কিশোরী নাকি সাধারণ মানুষের জন্য?
  • আপনার লেখার উদ্দেশ্য কি- উপদেশ, পরামর্শ, কোন বিষয় অবগত, বর্ণনা নাকি তুলনা করা?
  • আপনার আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয়গুলো প্রথমে ড্রাফ্‌ট করুন। তারপর সেসব আর্টিকেলে ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিত লিখুন।
এসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রেখে আর্টিকেলের ভাষা এবং ধরণ ঠিক করুন।
  • আপনার আর্টিকেলের ভাষা হতে পারে ফরমাল, সেমি-ফরমাল অথবা ইনফরমাল যা নির্ভর করে পাঠক সম্প্রদায়ের উপর এবং সেটি কোথায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার উপর।
  • আর্টিকেলে কখনই অতি-ব্যক্তিগত অথবা অতিরিক্ত ইমোশনাল আলোচনা করবেন না।
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লেখা শুরুর আগে অবশ্যই সেই বিষয়ের খুঁটিনাটি যথেষ্ট রিসার্চ করুন।
আর্টিক্যালটি এমনভাবে লিখুন যেন আপনি পাঠকদের সাথে সরাসরি কথা বলছেন। একজন লেখক নয়, পাঠকের দৃষ্টিকোণ বিচার-বিশ্লেষণ করে তবেই লিখুন।
ছোটবেলা থেকেই আমরা সবাই একটি কথার সাথে অতি পরিচিত- “পরিশ্রম সৌভাজ্ঞের প্রসূতি”। অর্থাৎ, যেকোনো কাজে সফল হতে হলে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। তেমনি আর্টিক্যাল রাইটিং খুব সহজেই শুরু করা গেলেও, এর মানোন্নয়নের জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়। তাহলে চলুন দেখি লেখার মানোন্নয়নের জন্য কি কি করা যেতে পারে।

লেখার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়

  • উন্নতমানের ব্লগপোস্টগুলো পড়ুন। তাদের লেখার ধরণ অনুসরণ করুন। কিন্তু কখনও তাদের লেখা হুবহু কপি করবেন না। লেখাগুলো পড়বেন শুধুমাত্র আইডিয়া পাবার জন্য।
  • প্রচুর পরিমাণে আর্টিক্যাল লেখার চর্চা করুন। লেখার মানোন্নয়নে এটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকুন। উন্নত মানের ব্লগের পেজে এবং গ্রুপগুলোতে দৃষ্টি রাখুন। এতে বিভিন্ন ব্লগের আপডেট জানতে পারবেন।
  • প্রফেশনাল রাইটারদের সাথে কানেকটেড থাকুন। প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ এবং টিপস নিন।
  • আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- সবসময় নিজেকে কম্পিউটারের পেছনে আড়াল করে রাখবেন না। প্রফেশনালদের নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিন। এতে সরাসরি তাদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন।
রাইটিং এ দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনেক গুরুত্বপূর্ণ টিপস শেয়ার করা হয়। এমন একটি সাইট হলো- http://writing-world.com/। এছাড়াইউটিউবে রাইটিং সম্পর্কিত ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলোও দক্ষতা বাড়াতে অনেকাংশে সাহায্য করে।
“ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই, কিভাবে শিখব?”- বারংবার এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি আমি। যাদের মনে এমন প্রশ্ন আছে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, ফ্রিল্যান্সিং শেখার কিছু নেই। এটি শুধুমাত্র কাজের একটি মাধ্যম। যেটি প্রয়োজন সেটি হলো- কাজে দক্ষতা অর্জন। যেমন- লেখালেখিতে আপনার প্রতিভা থাকলে, সেটিতে আরও দক্ষতা বাড়িয়ে তারপরই কাজের জন্য অ্যাপ্লাই করুন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে আমরা আর্টিক্যাল রাইটিং এর কাজ পেতে পারি?

আর্টিক্যাল রাইটিং এর কাজের ক্ষেত্র

অনেকে বলেন- “বিদেশের ওই সাদা চামড়ারও দাম আছে, আমরা বাংলাদেশীরা আর্টিক্যাল রাইটিং-এ খুব ভালো আয় করতে পারব না।” এই ধারণাটি সম্পূর্ণই ভুল। আপনি দক্ষতা অর্জন করলে এবং মানসম্মত আর্টিক্যাল লিখলে অবশ্যই তার উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবেন। কিন্তু সেজন্য আপনাকে সঠিক জায়গায় শ্রম দিতে হবে।
আর্টিক্যাল রাইটিং এর কাজ পেতে পারেন এমন বহুল পরিচিত কিছু মার্কেটপ্লেইস হলো- ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার এবং এ ধরনের আরও কিছু সাইট। কিন্তু এসব ছাড়াও আরও কিছু মার্কেটপ্লেইস আছে যেখানে আর্টিকেলের ডিম্যান্ড আরও বেশি। এমন কিছু সাইট হলো-

JOBS.PROBLOGGER (http://jobs.problogger.net/)

এই মার্কেটপ্লেইসটি আমাদের দেশের BDjobs এর মত। এখানে ক্লায়েন্ট রাইটার এর খোঁজে জব পোস্ট করে এবং ফ্রিল্যান্সার খোঁজে নিজের জন্য উপযুক্ত কাজ।

WriterGazette(http://www.writergazette.com/)

এই সাইট শুধুমাত্র জব পোস্টিং করেই থেমে থাকেনি, এখানে রাইটারদের জন্য প্রয়োজনীয় টিপসও শেয়ার করা হয় এবং আরও একটি মজার বিষয় হলো এখানে রাইটিং কন্টেস্ট এর লিস্টিংও করা হয়।

WRITINGJOBSOURCE (http://www.writingjobsource.com/)

এই সাইটটিতেও প্রতিদিন অনেক রাইটিং জব পোস্ট হয় যেগুলোতে রাইটারদের ডিম্যান্ড অনেক বেশি।
আরও বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে আর্টিক্যাল লিখে প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য $50 থেকে $500 পর্যন্ত আয় করা যায়। এমন কিছু সাইট হলো-

Writersweekly (http://writersweekly.com/)

Makealivingwriting (http://www.makealivingwriting.com/)

The dollar stretcher.com (http://www.stretcher.com/)

Beafreelanceblogger (http://beafreelanceblogger.com/)

Smithsonian.com (http://www.smithsonianmag.com/)

এসবমার্কেটপ্লেইস ছাড়াও একজন রাইটার Blogging, Adsence এবং Affiliation এর মাধ্যমেও অনেক বেশি আয় করতে পারে। তবে সেজন্য পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকাও জরুরি।
আর্টিক্যাল রাইটিং-এ দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও পারিবারিক সম্মতি না থাকায় অনেকে এটি ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারে না । এর একমাত্র কারণ হলো আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ এমনকি শিক্ষিত সমাজও আর্টিক্যাল রাইটিং এবং ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখে না। অনেকে অনলাইনে কাজ করা বলতে বোঝে ডোল্যান্সার, স্কাইল্যান্সার এর মত কিছু লোকঠকানো কাজকে। সেজন্য প্রয়োজন সাধারন মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সচেতন করা। আর আপনি যথাসাধ্য চেষ্টা করলে অবশ্যই সফলতা আপনার চরণ চুম্বন করতে বাধ্য।

আর্টিকেল লিখার চেয়ে আর্টিকেল লিখার টপিকস নির্বাচন করা বেশি গুরুত্ত্বপূর্ণ

আর্টিকেল লিখার আগে যে সব কাজ করা দরকার তার মধ্য থেকে সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ণ কাজ হল আর্টিকেল লিখার Topic বা বিষয় নির্বাচন। কারন, ভাল Topic বা বিষয় নির্বাচন না করতে পারলে আপনার এত কষ্ট করে ভালো আর্টিকেল লিখার কি লাভ । তা যদি আপনার কাঙ্ক্ষিত পাঠকের কোন কাজেই না আসে। ধরুন, আপনি এমন একজনের কাছে চিরুনি বিক্রি করতে গিয়েছেন যার মাথায় কোন চুলই নেই। এখান আপনিই বলুন, সে কি আপনার চিরুনি কিনবে ?? শুরুতেই আমাদের দেখতে হবে আপনি যেই Topic নিয়ে Article লিখবেন বর্তমান বাজারে এর চাহিদা বা গুরুত্ব কেমন আর ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব কেমন হবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে লিখলেই কেবল আপনি হতে পারবেন জনপ্রিয় “আর্টিকেল রাইটার” । কিছুদিন আগে হাইটেক পার্কের উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ আইটির আয়োজন এসইওর উপর একটি কোর্স করি, সেখানের আর্টিকেল রাইটিংয়ের ক্লাশে ইকরাম ভাইয়ের লেকচারের মাধ্যমে যা জেনেছি, তার আলোকেই এ লেখাটি সবার জন্য লিখলাম।
article writing

আর্টিকেল লিখার আগে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করুন ঃ-

১। আপনি পাঠক হলে কি জানতে বা পড়তে চাইতেন ?
২। যা লিখছি তা কি মানুষের কোন উপকারে আসবে কিনা ?
৩। যে বিষয়ে লিখবেন তা সম্পর্কে আপনার ভাল ধারণা আসে কিনা না ?
৪। যাদের উদ্দেশ্যেই লিখবেন তারা কতটুকু আপনার টপিক্সের ব্যাপারে আগ্রহী, মানে আপনি যে লেখা লিখছেন তা আপনার টার্গেটেড ইউজারদের রুচি, চাহিদার সাখে match করবে কি না ।
৫। আপনি আর্টিকেলটি কি উদ্দেশ্যে লিখছেন, মানে আপনি কি নিজের বা অন্যের কোন পণ্যের প্রচারের উদ্দেশ্য নিয়ে লিখতে চান কিনা ?
অর্থাৎ যে কোন বিষয়ে শুধু আর্টিকেল লিখালেই হবে না তা আপনের পাঠকের আগ্রহ আছে কি না তা বুজতে হবে। অনেকে মনে করেন গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে যে কোন একটা বিষয়ে সার্চ দিলেই  তো হাজার হাজার তথ্য পাওয়া যায় তা থেকেই তো একটা বেছে নিয়ে আর্টিকেল লিখা যায়। শুধু এই ভিত্তিতে আর্টিকেল লিখালে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পেতে পারেন।

আর্টিকেল লিখার Topic বা বিষয় নির্বাচন করার পদ্ধতিগুলো হল ঃ-

১। ভাবুনঃ হুট করে কোন একটা বিষয় নিয়ে লিখা শুরু না করে,  সময় নিয়ে মনোযোগ সহকারে ভাবুন দেখবেন মাথায় আইডিয়া গুলো চলে আসছে । তারপর ভাবনাগুলো নোট করে খাতায় লিখে প্রস্তুত করে রাখুন। এতে লেখার মান যেমন উন্নত হবে তেমনি সময়ও বেচে যাবে ।
২। নিউজপেপার :-  আর্টিকেল লিখার Topic বা বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সংবাদপত্র গুলো আপনাকে বেশ হেল্প করবে। নিউজপেপার গুলোতে থাকে অনেক দেশ বিদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর। যেমন, সেদিন অনলাইন নিউজপেপারে দেখালাম,  HighTech Park এর উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ আইটি-তে আয়োজিত হচ্ছে গ্র্যাজুয়েট ও কর্পোরেট ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের উপর স্কলারশীপ প্রোগ্রাম। আপনি যদি প্রতিবেনমুলক  আর্টিকেল লিখাতে চান তাহলে এমন চমকপ্রদক ইভেন্টগুলো হতে পারে আপনার আর্টিকেল লিখার কিলার Topic ।
friends
৩। বন্ধুমহল :- আমরা সবাই কমবেশি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই । লক্ষ্য করুন আপনার বন্ধুরা কোন বিষয়ে বেশি আলোচনা করছে  বা আগ্রহ প্রকাশ করছে । আপনার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়েও আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত আর্টিকেল লিখার Topic বা বিষয় নির্বাচন করতে পারেন ।
৪। টেলিভিশান :- বিভিন্ন টিভি চ্যানেল থেকেও আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত আর্টিকেল লিখার Topic বা বিষয় নির্বাচন করতে পারেন । কারন, মাঝে মাঝে টিভি চ্যানেল গুলোতে এমন কিছু পাওয়া যায় যা কিনা হতে আপনার topic.
৫। ফোরাম :- ফোরাম গুলোতে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আসে । আপনিও বিভিন্ন ফোরামে অংশগ্রহন করে জানতে পারবেন । আপনি প্রশ্ন করে বা প্রশ্নের Answer দেখে আর্টিকেল লিখার Topic নির্বাচন করতে পারবেন ।
৬। ব্লগ বা ওয়েবসাইট :- অনলাইনে বিভিন্ন  বিষয়ের উপর লিখা রয়েছে হাজার হাজার ব্লগ বা ওয়েবসাইট । সেখানে মানুষ শুধু ব্লগই পড়ছে তা না, কমেন্টও করছে ।  বিভিন্ন ব্লগ এর লিখা ও  কমেন্ট পড়েও আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত আর্টিকেল লিখার Topic ।
৭। গুগল সার্চ :- প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ  বিভিন্ন বিষয় জানতে Google ব্যবহার করছে । আপনি আর্টিকেল লিখার কাঙ্ক্ষিত Topic বের করার কার্যকরী পদ্ধতি হিসাবে Google এবং Google Trends  সার্চকে ধরা যেতে পারে । এছাড়া Google keyword research ও analysis করেও ভাল ফল পাবেন ।
৮। Answer site: Answer site গুলোতে বিভিন্ন মানুষ তার প্রবলেম নিয়ে প্রশ্ন করতে আসে ও তার প্রশ্নের উত্তর জানতে আসে । বিভিন্ন মানুষের প্রশ্ন ও উত্তর থেকেও আপনি পেতে পারেন আপনার আর্টিকেল কিলার Topic ।
৯। Social Media :-  চমৎকার সব আইডিয়া পাবেন social media সাইট গুলোতে, যেমন, facebook, twitter, youtube ইত্যাদি । এই আধুনিক বিশ্বে Social Media এর জনপ্রিয় বলে শেষ করা যাবে না ।
১০। Social গ্রুপ :- আপনি বিভিন্ন social গ্রুপ করতে পারেন যা খুবই জরুরী। এত মানুষের আলোচনায় আপনার আর্টিকেল লিখার আইডিয়া পাওয়ার সম্ভবনা বেশি । তাছাড়া যে বিষয়ে লিখতে চাচ্ছেন তা দ্বারা কতটা সারা পাবেন তা বুঝতে পারবেন । যেমন আমি নিজেও ইমেইল  মার্কেটিং টিউটোরিয়াল লিখার আগে “Email Marketers BD” ফেসবুকগ্রুপ  তৈরি করেছি ।
১১। social bookmarking site: বিভিন্ন বুকমার্ক সাইট যেমন Del.icio.us., digg, stumbleupon, reddit ইত্যাদি  থেকে ধারনা পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত Topic এর ।
১২। image submission site : ইমেজ সাবমিশন সাইট  গুলোতে বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের কিছু আশ্চর্যজনক ফটোগ্রাফি, সূক্ষ্ম আঁকা এবং ভাস্কর্য ইত্যাদি  থেকে inspire হয়ে  বিস্ময়কর কিছু লিখার আইডিয়া পেতে পারেন ।
১৩। সাফল্যের গল্প : আমাদের চারপাশে আমরা অনেক সফল ব্যক্তি দেখি,  যাদের ​​সাফল্যের গল্প শুনে আমরা অনুপ্রাণিত হই । তাই হতে পারে কোন সফল ব্যক্তির interview হতে পারে আপনার Topic।
১৪। Public Place : একজন রাইটার এর কাছে Public Place হতে পারে লিখার Topic। কারন, Public Place বলতে বোঝায় পার্ক, হাটবাজার, মেলা ইত্যাদিতে মানুষের কথা, মজার কার্যকলাপ, প্রবলেম থেকে আপনি লিখার আইডিয়া পেতে পারেন ।
১৫। টিউটোরিয়াল : আর্টিকেল এর লিখার আরেকটি Topic হতে পারে কোন টিউটোরিয়াল । আপনি বিভিন্ন বিষয়ে টিউটোরিয়াল লিখতে পারেন তবে দেখতে হবে এর চাহিদা কেমন । যেমন আমি লিখছি  “ইমেইল  মার্কেটিং টিউটোরিয়াল” ।
atricle final
সবশেষে বলতে চাই আপনার আর্টিকেল লিখার Topic  যাই হোক না কেন, তা যে যেন সত্য এবং  চাহিদাপূর্ণ হয়  । কারন ১০০ আর্টিকেল লিখার চেয়ে ১টা মানসম্পন ও চাহিদাপূর্ণ আর্টিকেল লিখা বেশি কার্যকরী হবে । এভাবে লিখলে একদিন আপনাকেই মানুষ বলবে, ““আপনার চিরুনির দাম কত !!”

“আর্টিকেল রাইটিং” এ ক্যারিয়ার ?? জেনে নিন যাত্রা শুরুর পূর্বপ্রস্তুতি…

“আর্টিকেল রাইটিং” বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সার বা “মুক্ত পেশাজীবীদের” গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। ওডেস্ক, ইল্যান্স ও ফ্রিলান্সারে “আর্টিকেল রাইটারদের” চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে। এই বর্ধিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই পেশায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। যাদের লেখালেখির অভ্যাস আছে, ইংরেজিতে দখল ভালো, নিজের কথাগুলোকে কাগজে পাঠককে আকৃষ্ট করার মত সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন- আর্টিকেল রাইটিং তাদের জন্য নির্দ্বিধায় একটি ভালো পেশা। আর্টিকেল রাইটিংও যে আউটসোর্সিং করার জন্য অনেক বড় একটি সেক্টর হতে পারে, সেটি ১ম জানতে পারি, হাই-টেক পার্কের উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ আইটিতে আয়োজিত এসইও কোর্সে, ইকরাম ভাইয়ের আর্টিকেল রাইটিংয়ের ক্লাশে।  তাঁর অনুপ্রেরণাতে আজকের লেখাটি লিখছি সবার জন্য। এ পোস্টে আমি ভাল আর্টিকেল লেখার জন্য কি করা উচিত, কি কি বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত, সেই বিষয়ে সবাইকে কিছু গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করব।
article writing
একটি আর্টিকেল শুরু করার আগে নিন্মোক্ত প্রাকটিসগুলো আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবেঃ

টপিক বাছাই করুন সচেতন ভাবেঃ

একটি আর্টিকেল লিখতে হলে প্রথমেই আপনাকে সেটির টপিক বা “বিষয়” বেছে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি এমন একটি বিষয় নিয়ে লিখুন যা নিয়ে আপনি কাজ করতে ভালবাসেন এবং যার সম্মন্ধে আপনার পূর্ব- ধারণা/পরিষ্কার ধারণা আছে। আর যদি উক্ত বিষয়ে আপনার কোন ধারণা না থাকে কিন্তু আপনি কাজটি করতে চাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনার দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস থাকার পাশাপাশি প্রচুর পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।গৎবাঁধা আথবা বিতর্কিত বিষয়বস্তুকে কখনই আপনার টপিক হিসেবে বেছে নেবেন না। তাতে করে যেমন আপনি কাজ করার স্পৃহা হারিয়ে ফেলবেন, ঠিক তেমনভাবে পাঠকও পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।

অনুসন্ধান করুনঃ

টপিক বাছাইয়ের পর দ্বিতীয় ধাপে আপনি আপনার টপিক নিয়ে “অনুসন্ধান” করবেন। শুনতে অদ্ভুত লাগছে? কিন্তু বিশ্বাস করুন এই কাজটি আপনাকে আপনার লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারনা দেয়ার পাশাপাশি আপনার আর্টিকেলকে আরও “ পরিকল্পিত” ও “ সমৃদ্ধ” করে তুলবে। কারন আপনি যখন আর্টিকেলের টপিক নিয়ে অনুসন্ধান করবেন তখন আপনাকে বিস্তরভাবে তা নিয়ে পড়তে হবে। তাতে করে আপনার আর্টিকেলটি অন্যদের তুলনার অনেক বেশি “তথ্যবহুল” হবে।

আউটলাইনিং এন্ড প্লানিং এ মনোযোগী হোনঃ

তৃতীয় পর্যায়ে এসে আপনাকে আপনার আর্টিকেল এর একটি আউটলাইনিং এবং প্লান বা “ খসড়া ও পরিকল্পনা” করে নিতে হবে। ভাবছেন শুরুর আগেই এত ঝামেলা? এক্ষেত্রে আপনি আব্রাহাম লিঙ্কনের এই উক্তিটি স্মরণ করলে আর বিরক্ত হবেন না “ If I had eight hours to chop down a tree, I’d spend six hours sharpening my axe”. এভাবে প্রস্তুতি নিলে হয়তো, যেকোনো একটি আর্টিকেল লেখা শুরু করার আগে অন্যদের তুলনায় আপনি হয়তো কয়েক ঘণ্টা সময় বেশি নেবেন। কিন্তু যথাযথ প্রস্তুতি থাকার কারনে মূল কাজটি শুরু হয়ে যাওয়ার পরে অন্যদের চেয়ে কম সময়ে আপনি কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে করে পরবর্তীতে আপনি কাজের মাঝপথে গিয়ে নতুন কোন বিপদে পড়বেন না। তাই এই পর্যায়ে আপনি একটি ওয়ার্ড ফাইল খসড়া হিসেবে নিয়ে কিছু কাজ করে কাজ সেরে ফেলতে পারেনঃ
  • গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো লিখে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে ফেলুন,
  • প্রাসঙ্গিক/ প্রয়োজনীয় ছবি কপি করে রাখুন,
  • কোন তথ্য- উপাত্ত ছক আকারে দিতে চাইলে তার প্রাথমিক এন্ট্রি গুলো সম্পন্ন করে রাখুন, হিসেব থাকলে তার সংখ্যাগুলো বসানো ছাড়া বাকী কাজগুলো করে ফেলুন,
  • কোন প্যারাগ্রাফ পরবর্তী সময়ের জন্য দরকারি মনে হলে ভিন্নভাবে ( কালারিং, বোল্ড) মার্ক করে রাখুন।
এই কাজগুলো করে ফেললে আপনার কাজ অনেকখানি গোছানো হয়ে যাবে। ফলে আপনার আর্টিকেল এর একটি সুন্দর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। এলোমেলো আর্টিকেল কখনই পাঠককে আকৃষ্ট করে না।
article-writing

লেখার প্রতি যত্নশীল হোন

একটি লেখা তার লেখকের প্রতিচ্ছবি। তাই লেখার প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল হোন। নির্ভুল বানান লিখুন তাতে লেখার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। এক্ষেত্রে বানান নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে আপনি ডিকশনারির সাহায্য নিতে পারেন। বর্তমানে অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ- এই দুটি ডিকশনারিই অনলাইনে ফ্রী সেবা দিয়ে থাকে। সুতরাং ইংরেজি বানান নিয়ে সংশয়ে না থেকে এখান থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
অক্সফোর্ড ডিকশনারির অনলাইন সেবার লিঙ্কঃ
ক্যামব্রিজ ডিকশনারির (us version) অনলাইন সেবার লিঙ্কঃ
সাবলীল একটি আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ করুন, আপনার ব্যক্তিগত মতামত বা ভালোলাগা- মন্দলাগা নয়। লেখায় পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করুন। এতে করে আপনি অধিক পাঠকের মন জয় করতে পারবেন। পাশাপাশি এমন কোন অশোভন শব্দ ব্যবহার করবেন না, যা পাঠকের কাছে আপনার লেখার প্রতি একটি বিরুপ মনভাব সৃষ্টি করে।

সুন্দর উপস্থাপন নিশ্চিত করুনঃ

যেকোনো একটি লেখার সাধারনত তিন শ্রেণির পাঠক থাকে। শ্রেনিভেদে তাদের চাহিদাও ভিন্ন হয়। আপনার আর্টিকেলটির এই তিন শ্রেনির পাঠককেই আকৃষ্ট করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর তার জন্য একটি সুন্দর উপস্থাপন অনেক বেশি জরুরি।
article
যে তিন ধরনের পাঠক আপনি পাবেনঃ

১) যারা শুধুমাত্র আর্টিকেলটি যে বিষয় নিয়ে লেখা হয়েছে, সেই বিষয়টির ধারনা পেতে চাইবে (Skimming)

উদাহরণস্বরূপ মনে করুন, আপনি SEO নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখলেন।এই আর্টিকেল এর এক শ্রেনির পাঠক হোল তারা যাদের SEO সম্পর্কে কোন পূর্ব ধারনা নেই, তারা শুধুমাত্র SEO নামে একটি বিষয় আছে তা শুনেছেন।তখন তারা আপনার আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে SEO এর একটি সামগ্রিক ধারনা পাওয়ার আশা করবেন।তাই এদের কথা মাথায় রেখে আপনাকে সহজ ভাষায় একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখতে হবে।এ শ্রেনির পাঠকগণ সাধারণত লেখার শুরুর দিকের বর্ণনাটুকু পরেই একটি সামগ্রিক ধারণা পেতে চান।তাই আপনার লেখা এমন ভাবে সাজান যাতে তা এই নতুন শ্রেনির পাঠক প্রথমবারেই আপনার নিয়মিত পাঠকে পরিণত হয়।

২) যারা একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার লেখাটি পড়বেন/ নতুন কিছু খুঁজবেন (Scanning)

এই দ্বিতীয় শ্রেনির পাঠকের ইতিমধ্যে SEO সম্পর্কে একটি ধারণা আছে, কিন্তু তারা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু আপনার লেখায় খুঁজছেন, এবং সেই প্রত্যাশিত বিষয়ের বিস্তারিত জানার জন্য আপনার আর্টিকেলটি তারা পড়তে এসেছেন। এই শ্রেনির পাঠকরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোন একটি বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখলে নিশ্চিত করুন যে, উক্ত বিষয় নিয়ে পাঠকের প্রাসঙ্গিক সব প্রশ্নের উত্তর আপনি আপনার লেখার মাধ্যমে দিতে পেরেছেন। “ই-মেইল মার্কেটিং” SEO এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।দেখা গেল SEO নিয়ে আপনি ১৫-২০ পাতার একটি আর্টিকেল লিখলেন কিন্তু ই-মেইল মার্কেটিং অংশটি বাদ দিয়ে গেলেন। তখন নিঃসন্দেহে আপনি এই দ্বিতীয় শ্রেনির অনেক পাঠক হারিয়ে ফেললেন। তাই কোন বিষয় নিয়ে লিখলে তার কোন অংশ বাদ দিয়ে লেখা যাবে না।

৩) যারা পড়তে / নিজেদের যাচাই করতে ভালবাসেন (Actual Reader)

এই শ্রেনির পাঠকের ইতিমধ্যে আপনার লেখা বিষয়বস্তুর উপর ভালো দখল রয়েছে। লেখক শ্রেনির মানুষেরাও এ পাঠক গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এ কথা জানার পরে ঘাবড়ে যাবেন না, উল্টো আপনি তাদের কথা মাথায় রেখে আপনার লেখাটি আরও যথাযথ ভাবে উপস্থাপন করবেন। কারণ এই পাঠকগণ শুধুমাত্র পড়ার প্রতি তাদের ভালবাসা থেকেই আপনার লেখাটি পড়তে আসবেন। পাশাপাশি তারা আপনার লেখার দ্বারা নিজের মেধা আরেকবার ঝালাই করে নেবেন। তাই আপনার লেখায় অনন্য কিছু দিন। যাতে করে আপনি তাদেরকেও আপনার নিয়মিত পাঠক বানিয়ে ফেলতে পারেন।
content-w

এড়িয়ে যাবেন না পুনঃ নিরীক্ষণঃ

উপরোক্ত ধাপগুলো ভালোভাবে অনুসরণ করে থাকলে আপনি ইতোমধ্যে আপনার লেখাটি সম্পন্ন করে ফেলেছেন। ভাবছেন কাজ শেষ? একদম ই নয়। এত পরিশ্রম করে একটি আর্টিকেল লিখলেন, কিন্তু কোন রিভিশন ছাড়াই জমা দিয়ে দিলেন। দেখা গেল লাইন স্পেসিং, প্যারাগ্রাফ কো-অর্ডিনেশন, পৃষ্ঠা নম্বর ইত্যাদি দিতে ভুলে গেছেন। তাতে করে আপনার এত কষ্টের পরেও আপনি আত্মতৃপ্তি পাচ্ছেন না। তাই এইসব ছোটখাটো ঝামেলা এড়াতে লেখা শেষ হবার পর অবশ্যই লেখাটি পুনঃ নিরীক্ষণ করুন।
কোন পরীক্ষার জন্য যেমন আমরা কয়েকমাস প্রস্তুতি নেয়ার পর আমরা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টের আশা করি, তেমনি ভাবে “আর্টিকেল রাইটিং পেশায়” প্রবেশের পূর্বে এই আর্টিকেল এ উল্লেখিত বিষয় গুলো মাথায় রেখে কাজ করতে পারলে/ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারলে এই পেশায় আপনার সফলতা নিশ্চিত।

Interested for our works and services?
Get more of our update !